সহিহ মুসলিম
৩১. বিচার বিধান
صحيح مسلم
৩১/১ পরিচ্ছেদঃ
বিবাদীর উপর আল্লাহ্র নামে শপথ করা কর্তব্য
৪৩৬৩
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ، أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিবাদী থেকে (আল্লাহ্র নামে) শপথ নেয়ার মাধ্যমে ফয়সালা দিয়েছেন। (ই. ফা. ৪৩২২, ই. সে. ৪৩২৩)
৪৩৬২
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ لاَدَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ وَلَكِنَّ الْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি লোকের দাবি অনুসারে তাদের দিয়ে দেয়া হতো তবে কোন কোন লোক অপর ব্যক্তির জান-মাল দাবি করে বসতো। তাই বিবাদীর জন্য শপথ নেয়ার বিধান রয়েছে। (ই. ফা. ৪৩২১, ই. সে. ৪৩২২)
৩১/২ পরিচ্ছেদঃ
এক সাক্ষী ও এক শপথে বিচার করার বৈধতা
৪৩৬৪
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا زَيْدٌ، - وَهُوَ ابْنُ حُبَابٍ - حَدَّثَنِي سَيْفُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَنِي قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِيَمِينٍ وَشَاهِدٍ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিবাদী থেকে (কসম) শপথ গ্রহণ এবং একজন সাক্ষীর মাধ্যমে মুকদ্দমা নিষ্পত্তি করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৩, ই. সে. ৪৩২৪)
৩১/৩ পরিচ্ছেদঃ
অন্যায় হক প্রতিষ্ঠিত হয় না বিচারকের সদৃশ ফায়সালায়
৪৩৬৮
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كِلاَهُمَا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَ حَدِيثِ يُونُسَ . وَفِي حَدِيثِ مَعْمَرٍ قَالَتْ سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَجَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ أُمِّ سَلَمَةَ .
যুহরী (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
একই সূত্রে ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আর মা’মার (রহঃ)-এর হাদীসে (আরবী) –এর পরিবর্তে (আরবী) উল্লেখ রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল উম্মু সালামার (হুজরার) দরজাতে শুনতে পেলেন। (ই. ফা. ৪৩২৭, ই. সে. ৪৩২৮)
আর মা’মার (রহঃ)-এর হাদীসে (আরবী) –এর পরিবর্তে (আরবী) উল্লেখ রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল উম্মু সালামার (হুজরার) দরজাতে শুনতে পেলেন। (ই. ফা. ৪৩২৭, ই. সে. ৪৩২৮)
৪৩৬৬
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ، نُمَيْرٍ كِلاَهُمَا عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
হিশাম (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)
৪৩৬৭
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ جَلَبَةَ خَصْمٍ بِبَابِ حُجْرَتِهِ فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ فَقَالَ " إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَإِنَّهُ يَأْتِينِي الْخَصْمُ فَلَعَلَّ بَعْضَهُمْ أَنْ يَكُونَ أَبْلَغَ مِنْ بَعْضٍ فَأَحْسِبُ أَنَّهُ صَادِقٌ فَأَقْضِي لَهُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِحَقِّ مُسْلِمٍ فَإِنَّمَا هِيَ قِطْعَةٌ مِنَ النَّارِ فَلْيَحْمِلْهَا أَوْ يَذَرْهَا " .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হুজ্রার দ্বার প্রান্তে জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, আমি তো একজন মানুষ আর আমার কাছে কোন মুকাদ্দমা দায়েরকারী আসে। তাদের একজনের চেয়ে অন্যজন খুব ভাল করে কথা বলতে জানে। আমি তখন মনে করি সেই সঠিক, তাতে আমি তার পক্ষে রায় প্রদান করি। আমি যার পক্ষে (অপর)মুসলিমদের হকের ব্যাপারে রায় দেই, তা বস্তুত জাহান্নামের একটি টুকরা। অতএব সে তা গ্রহন করুক কিংবা ছেড়ে দিক। (ই. ফা. ৪৩২৬, ই. সে. ৪৩২৭)
৪৩৬৫
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَىَّ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ عَلَى نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْهُ فَمَنْ قَطَعْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ شَيْئًا فَلاَ يَأْخُذْهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ بِهِ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ " .
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মুকাদ্দমা নিয়ে আমার কাছে আগমন করে থাক এবং তোমাদের একজন অপরজন অপেক্ষা অধিক বাকপটু হয়ে যুক্তি খাটিয়ে স্বীয় দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কর। আমি কথা শুনে তাঁর অনুকূলে রায় প্রদান করি। সুতরাং এতে যদি তার ভাইয়ের হকের কিছু তাকে প্রদান করি (বাস্তবে হয়ত এতে তার কোন অধিকারই নেই) তখন তার কর্তব্য হবে তা গ্রহণ না করা। কেননা, এতে যেন আমি তাকে জাহান্নামের এক খণ্ড আগুন প্রদান করলাম। (ই. ফা. ৪৩২৪, ই. সে. ৪৩২৫)
৩১/৪ পরিচ্ছেদঃ
‘হিন্দার ঘটনা’
৪৩৭১
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أَهْلُ خِبَاءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يُذِلَّهُمُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ وَمَا عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ أَهْلُ خِبَاءٍ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يُعِزَّهُمُ اللَّهُ مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " وَأَيْضًا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ " . ثُمَّ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مُمْسِكٌ فَهَلْ عَلَىَّ حَرَجٌ أَنْ أُنْفِقَ عَلَى عِيَالِهِ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ إِذْنِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ حَرَجَ عَلَيْكِ أَنْ تُنْفِقِي عَلَيْهِمْ بِالْمَعْرُوفِ " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, হিন্দা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বাড়বে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্ইয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার সন্তান-সন্ততির জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন অন্যায় হবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবেনা। (ই. ফা. ৪৩৩০, ই. সে. ৪৩৩১)
৪৩৭২
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كَانَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ خِبَاءٌ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَذِلُّوا مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ وَمَا أَصْبَحَ الْيَوْمَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْضِ خِبَاءٌ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَعِزُّوا مِنْ أَهْلِ خِبَائِكَ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَأَيْضًا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ " . ثُمَّ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ مِسِّيكٌ فَهَلْ عَلَىَّ حَرَجٌ مِنْ أَنْ أُطْعِمَ مِنَ الَّذِي لَهُ عِيَالَنَا فَقَالَ لَهَا " لاَ إِلاَّ بِالْمَعْرُوفِ " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, হিন্দা বিন্ত উত্বা ইনু রবী’য়াহ্, এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (মুসলিম হওয়ার পূর্বে) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর আজ (মুসলিম হওয়ার পর) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে। তারপর হিন্দা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্ইয়ান একজন বড় কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের সন্তানাদির খাবার (তারই অজান্তে) তার সম্পদ থেকে প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেনঃ না। তবে তা যথাবিধি হতে হবে। (ই. ফা. ৪৩৩১, ই. সে. ৪৩৩২)
৪৩৬৯
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَتْ هِنْدٌ بِنْتُ عُتْبَةَ امْرَأَةُ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ لاَ يُعْطِينِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يَكْفِينِي وَيَكْفِي بَنِيَّ إِلاَّ مَا أَخَذْتُ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمِهِ . فَهَلْ عَلَىَّ فِي ذَلِكَ مِنْ جُنَاحٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خُذِي مِنْ مَالِهِ بِالْمَعْرُوفِ مَا يَكْفِيكِ وَيَكْفِي بَنِيكِ " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
হিন্দা বিন্ত উত্বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্ইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহন করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁর সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ই. ফা. ৪৩২৮, ই. সে. ৪৩২৯)
৪৩৭০
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَوَكِيعٍ ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، - يَعْنِي ابْنَ عُثْمَانَ - كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) হিশাম (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩২৯, ই. সে. ৪৩৩০)