মুয়াত্তা ইমাম মালিক
১৬. জানাইয
موطأ مالك
১৬/১ পরিচ্ছেদঃ
মৃতের গোসল
৫০৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غُسِّلَ فِي قَمِيصٍ.
মুহাম্মদ ইবনু বাকির (র)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কোর্তা পরিহিত অবস্থায় গোসল দেওয়া হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
৫০৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ السَّخْتِيَانِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ الْأَنْصَارِيَّةِ قَالَتْ دَخَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ تُوُفِّيَتْ ابْنَتُهُ فَقَالَ اغْسِلْنَهَا ثَلَاثًا أَوْ خَمْسًا أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ إِنْ رَأَيْتُنَّ ذَلِكَ بِمَاءٍ وَسِدْرٍ وَاجْعَلْنَ فِي الْآخِرَةِ كَافُورًا أَوْ شَيْئًا مِنْ كَافُورٍ فَإِذَا فَرَغْتُنَّ فَآذِنَّنِي قَالَتْ فَلَمَّا فَرَغْنَا آذَنَّاهُ فَأَعْطَانَا حِقْوَهُ فَقَالَ أَشْعِرْنَهَا إِيَّاهُ تَعْنِي بِحِقْوِهِ إِزَارَهُ.
উম্মে ‘আতিয়া আনসারী (রা)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর কন্যার যখন ওফাত হয় তখন আমাদের কাছে এলেন, তারপর তিনি বললেন, তাকে তোমরা গোসল দাও তিনবার অথবা পাঁচবার অথবা উহা অপেক্ষা অধিক পানি ও কুলপত্র (কুলপত্রসহ গরম দেওয়া পানি) দ্বারা। আর শেষে তোমরা কর্পূর দাও অথবা (তিনি বলেছেন) কিছু কর্পূর দাও। তোমরা যখন গোসল সমাপ্ত করবে তখন আমাকে সংবাদ দেবে। অতঃপর আমরা গোসল সমাপ্ত করে তাকে খবর দিলাম। তিনি তাঁর ইযার (লঙ্গী) আমাদেরকে প্রদান করলেন এবং বললেন, এটা তার দেহের সাথে লেপটে দাও। উম্মে ‘আতিয়া (রা) হাকওয়া দ্বারা তাঁর ইযার বুঝিয়েছেন। (বুখারী ১২৫৩, মুসলিম ৯৩৯)
৫০৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ أَنَّ أَسْمَاءَ بِنْتَ عُمَيْسٍ غَسَّلَتْ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ حِينَ تُوُفِّيَ ثُمَّ خَرَجَتْ فَسَأَلَتْ مَنْ حَضَرَهَا مِنْ الْمُهَاجِرِينَ فَقَالَتْ إِنِّي صَائِمَةٌ وَإِنَّ هَذَا يَوْمٌ شَدِيدُ الْبَرْدِ فَهَلْ عَلَيَّ مِنْ غُسْلٍ فَقَالُوا لَا.
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বকর (রা)থেকে বর্ণিতঃ
আবূ বক্র সিদ্দীক (রা)-এর সহধর্মিণী আসমা বিন্ত উমাইস (রা) আবূ বক্র সিদ্দীককে গোসল দেন, যখন তিনি ইন্তিকাল করেন। অতঃপর তিনি বের হলেন এবং উপস্থিত মুহাজিরদের নিকট প্রশ্ন করলেন, আমি রোযাদার; আর এখন খুব শীতের দিন। আমার উপর গোসল কি জরুরী? তারা বললেন, না। (যয়ীফ, হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [তামামুল মিন্নাহ পৃ: ১২১]
৫০৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ إِذَا مَاتَتْ الْمَرْأَةُ وَلَيْسَ مَعَهَا نِسَاءٌ يُغَسِّلْنَهَا وَلَا مِنْ ذَوِي الْمَحْرَمِ أَحَدٌ يَلِي ذَلِكَ مِنْهَا وَلَا زَوْجٌ يَلِي ذَلِكَ مِنْهَا يُمِّمَتْ فَمُسِحَ بِوَجْهِهَا وَكَفَّيْهَا مِنْ الصَّعِيدِ ৭৫৫-قَالَ مَالِك وَإِذَا هَلَكَ الرَّجُلُ وَلَيْسَ مَعَهُ أَحَدٌ إِلَّا نِسَاءٌ يَمَّمْنَهُ أَيْضًا ৭৫৬-قَالَ مَالِك وَلَيْسَ لِغُسْلِ الْمَيِّتِ عِنْدَنَا شَيْءٌ مَوْصُوفٌ وَلَيْسَ لِذَلِكَ صِفَةٌ مَعْلُومَةٌ وَلَكِنْ يُغَسَّلُ فَيُطَهَّرُ.
মালিক (র)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি আহলে ইল্মকে (অভিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছেন, কোন স্ত্রীলোকের মৃত্যু হলে এবং সে স্ত্রীলোকের সাথে তাকে গোসল দিতে পারে এইরূপ কোন মেয়েলোক যদি না থাকে এবং কোন মাহরম (যে সকল আত্মীয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া হারাম।) আত্মীয়ও না থাকে সে সেই স্ত্রীলোকের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারে অথবা স্বামীও নেই যে তার গোসলের দায়িত্ব নিতে পারে এইরূপ অবস্থার সম্মুখীন হলে তবে সে স্ত্রীলোককে তায়াম্মুম করানো হবে; পবিত্র মাটি দ্বারা তার মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয়কে মসেহ করে দেয়া হবে।
মালিক (র) বলেন, কোন পুরুষ লোকের মৃত্যু হলে তার নিকট বেগানা কোন স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্য কেউ না থাকলে স্ত্রীলোকেরা তাকে অনুরূপ তায়াম্মুম করাবে।
মালিক (র) বলেছেন, মৃত লোকের গোসলের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন নির্দিষ্ট সীমা ও সংজ্ঞা নাই, অবশ্য গোসল দেওয়াতে হবে, আর পবিত্র করাতে হবে।
মালিক (র) বলেন, কোন পুরুষ লোকের মৃত্যু হলে তার নিকট বেগানা কোন স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্য কেউ না থাকলে স্ত্রীলোকেরা তাকে অনুরূপ তায়াম্মুম করাবে।
মালিক (র) বলেছেন, মৃত লোকের গোসলের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন নির্দিষ্ট সীমা ও সংজ্ঞা নাই, অবশ্য গোসল দেওয়াতে হবে, আর পবিত্র করাতে হবে।
১৬/২ পরিচ্ছেদঃ
মুর্দার কাফন
৫০৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُفِّنَ فِي ثَلَاثَةِ أَثْوَابٍ بِيضٍ سُحُولِيَّةٍ لَيْسَ فِيهَا قَمِيصٌ وَلَا عِمَامَةٌ.
নবী-করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে سُحُولِيَّةٍ (সাহুল [ইয়েমেনের একটি প্রসিদ্ধ স্থানের নাম]-এ তৈরি) সাদা বর্ণের তিনটি কাপড় দ্বারা কাফন দেয়া হয়েছিল। উহাতে কোর্তা এবং পাগড়ি ছিল না। (বুখারী ১২৬৪, মুসলিম ৯৪১)
৫১১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّهُ قَالَ: الْمَيِّتُ يُقَمَّصُ وَيُؤَزَّرُ وَيُلَفُّ فِي الثَّوْبِ الثَّالِثِ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ إِلَّا ثَوْبٌ وَاحِدٌ كُفِّنَ فِيهِ.
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (র)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, মুর্দাকে কোর্তা এবং ইযার পরিধান করানো হবে। অতঃপর তৃতীয় কাপড় দ্বারা তাকে আবৃত করতে হবে। আর যদি একটি কাপড় ব্যতীত অন্য কাপড় না থাকে তবে তাতেই কাফন দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
৫১০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ قَالَ لِعَائِشَةَ وَهُوَ مَرِيضٌ فِي كَمْ كُفِّنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ فِي ثَلَاثَةِ أَثْوَابٍ بِيضٍ سُحُولِيَّةٍ.
فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ خُذُوا هَذَا الثَّوْبَ لِثَوْبٍ عَلَيْهِ قَدْ أَصَابَهُ مِشْقٌ أَوْ زَعْفَرَانٌ فَاغْسِلُوهُ ثُمَّ كَفِّنُونِي فِيهِ مَعَ ثَوْبَيْنِ آخَرَيْنِ فَقَالَتْ عَائِشَةُ وَمَا هَذَا فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ الْحَيُّ أَحْوَجُ إِلَى الْجَدِيدِ مِنْ الْمَيِّتِ وَإِنَّمَا هَذَا لِلْمُهْلَةِ
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র)থেকে বর্ণিতঃ
আমি অবগত হয়েছি যে, আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) যখন পীড়িত ছিলেন, তখন আয়েশা (রা)-কে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কয়টি কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছে? আয়েশা (রা) বললেন, সাহুলে তৈরি সাদা রঙ্গের তিনটি কাপড়ে। তারপর আবূ বক্র (রা) তাঁর পরিধানে যে কাপড় ছিল সে কাপড়ের প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, আয়েশা! এই কাপড়টি ধর এবং যাতে গেরুয়া রং অথবা জাফরান লেগেছিল, ইহাকে ধৌত কর। তারপর অন্য দু’টি কাপড়ের সাথে (মিলিয়ে) এ কাপড়ে আমাকে তোমরা কাফন দিও। (এটা শুনে) আয়েশা (রা) বললেন, এটা কি! নূতন কাপড় কি পাওয়া যাবে না? আবূ বক্র (রা) বললেন, মৃত ব্যক্তি অপেক্ষা জীবিত লোকেরই প্রয়োজন বেশি, আর এ কাপড় মৃতের পুঁজের জন্য। (সহীহ, বুখারী ১৩৮৭)
১৬/৩ পরিচ্ছেদঃ
জানাযার আগে চলা
৫১২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ كَانُوا يَمْشُونَ أَمَامَ الْجَنَازَةِ وَالْخُلَفَاءُ هَلُمَّ جَرًّا وَعَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ.
ইবনু শিহাব (র)থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবূ বক্র সিদ্দীক (রা), উমার (রা) তাঁরা সকলেই জানাযার আগে চলতেন। তাঁদের পরে খলীফাগণ (যুগে যুগে) এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও এরূপ করেছেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১৭৯, তিরমিযী ১০০৭, নাসাঈ ১৯৪৪, ১৯৪৫, ইবনু মাজা ১৪৮৩, ১৪৮২, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ, সুনানে তিরমিযী] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক হাদীসটি মুরসাল)
৫১৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْهُدَيْرِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ رَأَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقْدُمُ النَّاسَ أَمَامَ الْجَنَازَةِ فِي جَنَازَةِ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ.
ইবনু রবীআ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুদায়র (র)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি যায়নব বিন্ত জাহাশ (রা)-এর জানাযার আগে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে লোকের সম্মুখে চলতে দেখেছেন।
৫১৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ قَالَ مَا رَأَيْتُ أَبِي قَطُّ فِي جَنَازَةٍ إِلَّا أَمَامَهَا قَالَ ثُمَّ يَأْتِي الْبَقِيعَ فَيَجْلِسُ حَتَّى يَمُرُّوا عَلَيْهِ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র)থেকে বর্ণিতঃ
আমি আমার পিতাকে কখনও কোন জানাযায় উহার আগে আগে ছাড়া চলতে দেখিনি, কিন্তু বকী’তে পৌঁছার পর সেখানে বসতেন। লোকজন (জানাযাসহ) তাঁর সম্মুখ দিয়ে গমন করতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
১৬/৪ পরিচ্ছেদঃ
জানাযার পেছনে আগুন নিয়ে চলা নিষেধ
৫১৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ أَنَّهَا قَالَتْ لِأَهْلِهَا أَجْمِرُوا ثِيَابِي إِذَا مِتُّ ثُمَّ حَنِّطُونِي وَلَا تَذُرُّوا عَلَى كَفَنِي حِنَاطًا وَلَا تَتْبَعُونِي بِنَارٍ.
আস্মা বিন্ত আবূ বক্র (রা)থেকে বর্ণিতঃ
আস্মা বিন্ত আবূ বক্র (রা) নিজের পরিবারের লোকদেরকে বলেছেন, আমার মৃত্যু হলে আমার কাপড়কে (কাফন) খোশবুমুক্ত করো, তারপর আমার দেহে হানূত (কাপূর, মিশ্কে আম্বর ইত্যাতি দ্বারা তৈরি এক প্রকারের খোশবু) লাগাবে। কিন্তু হানূত আমার কাফনে ছিটাবে না, আর আগুন সাথে নিয়ে আমার পেছনে চলবে না। (ইবনু আসাকীর হাদীসটি তাখরীজ করেন [তারীখে দামেশক] তারীখে দামেশক ৭৩/২১, ইমাম মাইলায়ী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, নসবুর রয়াহ ২/২৬৪)
৫১৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকو حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ نَهَى أَنْ يُتْبَعَ بَعْدَ مَوْتِهِ بِنَارٍ قَالَ يَحْيَى سَمِعْت قَوْله تَعَالَى يَكْرَهُ ذَلِكَ.
আবূ সাঈদ মাকবুরী (রা)থেকে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা) তার মৃত্যুর পর পেছনে আগুন নিয়ে চলতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, আহমাদ ২/৪২৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ৭০])
ইয়াহ্ইয়া (র) বললেন, আমি শুনেছি যে, মালিক (র) একে মাকরূহ জানতেন।
ইয়াহ্ইয়া (র) বললেন, আমি শুনেছি যে, মালিক (র) একে মাকরূহ জানতেন।