পরিচ্ছেদঃ ৪
ঈমানদারের গুণাবলি
১১। মহান আল্লাহ, নবী ﷺ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করতে হবে। (বুখারী, হা: ১৬)
১২। রাসূল ﷺ কে ভালোবাসতে হবে। (বুখারী, হা: ১৫)
১৩। সাহাবীদেরকে ভালোবাসতে হবে। (বুখারী, হা: ১৭)
১৪। নিজের জন্য যা পছন্দ অন্য ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করতে হবে।
(বুখারী, হা: ১৩)
১৫। হাত ও মুখ দ্বারা কাউকে কষ্ট দেয়া যাবে না। (বুখারী, হা: ১০, ১১)
১৬। মুসলমানদের কল্যাণ কামনা করতে হবে এবং তাদেরকে উপদেশ দিতে হবে। (বুখারী, হা: ৫৮)
১৭। না বুঝে কেউ ভুল করলে তার উপর চড়াও হওয়া যাবে না। (বুখারী, হা: ২২০)
১৮। সৃষ্টিজীবের প্রতি দয়া করতে হবে। (বুখারী, হা: ১৭৩)
১৯। মানুষের সাথে কোমল ও নম্র আচরণ করতে হবে। (বুখারী, হা: ৬১৩১)
২০। বিধবা ও মিসকীনের সাহায্য করার অনেক সওয়াব রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬০০৬)
২১। ভালোবাসার ক্ষেত্রে সকল মুমিন একটি দেহ স্বরূপ। (বুখারী, হা: ৬০১১)
২২। গাছ লাগানোর অনেক সওয়াব রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬০১২)
২৩। যে ব্যক্তি সৃষ্টির প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তা‘আলাও তার প্রতি দয়া করেন না। (বুখারী, হা: ৬০১৩)
২৪। মুমিনরা সবাই একটি ইমারতের ন্যায়। (বুখারী, হা: ৬০২৬)
২৫। দ্বীন শিক্ষা করতে কোন লজ্জা নেই। (বুখারী, হা: ৬১২১)
২৬। লজ্জা একটি ঈমানের অঙ্গ। (বুখারী, হা: ৬১১৮)
২৭। আল্লাহ তা‘আলা নম্রতাকে পছন্দ করেন। (বুখারী, হা: ৬০২৪)
২৮। মানুষকে ভালোবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। (বুখারী, হা: ৬০৪১)
২৯। ভাল কাজে সুপারীশ করার অনেক সওয়াব রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬০২৮ )
৩০। তিন দিন মেহমানদারী করতে হয়। (বুখারী, হা: ৬০১৯)
৩১। প্রত্যেক ভাল কাজ সাদকাহ স্বরূপ। (বুখারী, হা: ৬০২১)
৩২। হাসি মুখে কথা বলাও সাদকাহ। (বুখারী, হা: ৬০২৩)
৩৩। মালিকের আমানত রক্ষা করা কর্তব্য। (বুখারী, হা: ২৫৫৪)
৩৪। খাদিমকে খানার অংশ দেয়া উচিৎ। (বুখারী, হা: ২৫৫৭)
৩৫। অধিনস্তরা খারাপ কাজ করলে শাস্তি দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ২৫৫৬)
৩৬। রোগী ও ক্ষুধার্তদেরকে সাহায্য করার নির্দেশ। (বুখারী, হা: ৫৩৭৩)
৩৭। দেখা করতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করা যায়। (বুখারী, হা: ৬০৮০)
৩৮। সামনা-সামনি প্রশংসা করা নিষেধ। (বুখারী, হা: ৬০৬০)
৩৯। মিথ্যা ত্যাগ না করলে রোযা কাজে লাগে না। (বুখারী, হা: ৬০৫৭)
৪০। সত্য বলা পূণ্য আর মিথ্যা বলা পাপ। (বুখারী, হা: ৬০৯৪) (তাওবা-১১৯)
৪১। মিথ্যা বলা মুনাফিকের কাজ। (বুখারী, হা: ৬০৯৫)
৪২। পরকালে মিথ্যাবাদীকে গাল চিরে শাস্তি দেয়া হবে। (বুখারী, হা: ৬০৯৬)
৪৩। চুগলখোর ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (বুখারী, হা: ৬০৫৬)
৪৪। চুগলখোরী করা কাবীরা গুনাহের অমত্মর্ভুক্ত। (বুখারী, হা: ৬০৫৫)
৪৫। মুসলিম ব্যক্তি একে অপরকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং মারামারি করা কুফরী। (বুখারী, হা: ৬০৪৪)
৪৬। কোন মুসলিমকে ফাসেক ও কাফের বলে গালি দেয়া নিষেধ।
(বুখারী, হা: ৬০৪৫, ৬১০৩)
৪৭। নবী ﷺ অশালীন বাক্য বলতেন না। (বুখারী, হা: ৬০৪৬)
৪৮। মুমিনকে অভিশাপ দেয়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ৬০৪৭)
৪৯। কু-ধারণা, হিংসা ও গোয়েন্দাগিরী করা নিষেধ। (বুখারী, হা: ৬০৬৪)
৫০। এক মুসলিম অপর মুসলিম ভাই হতে তিন দিনের বেশি বিচ্ছিন্ন থাকা বৈধ নয়। (বুখারী, হা: ৬০৬৫, ৬০৭৩, ৬০৭৪)
৫১। কর্কশভাষী, অহংকারী এবং শক্ত হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তি জাহান্নামী হবে। (বুখারী, হা: ৬০৭১)
৫২। আল্লাহর নাফরমানীমূলক বিষয়সমূহকে ঘৃণা করতে হবে। (বুখারী, হা: ৬১০৯)
৫৩। পাপের কথা কারো কাছে প্রকাশ করতে নেই। (বুখারী, হা: ৬০৬৯)
৫৪। যে আগে সালাম দেবে সেই উত্তম। (বুখারী, হা: ৬০৭৭)
৫৫। রাগ দমন করাই প্রকৃত বীরত্ব। (বুখারী, হা: ৬১১৪)
৫৬। রাগ না করার জন্য নবী ﷺ অসিয়ত করেছেন। (বুখারী, হা: ৬১১৬)
৫৭। যে যাকে ভালোবাসবে পরকালে সে তার সাথে থাকবে। (বুখারী, হা: ৬১৭০)
৫৮। সময় ও সুস্থতাকে কাজে লাগনো জরুরি। (বুখারী, হা: ৬৪১২)
৫৯। বড়দের সম্মান করা উচিত। (বুখারী, হা: ৬১৪৩)