সাগরের আয়তন ও গভীরতার যেমন সীমা নেই। সাগরের বৈচিত্র্যময় প্রাণী সংখ্যার যেমন ইয়ত্তা নেই। তেমনি সাগরে কত জাতের কত বর্ণের জলজ প্রাণী ও মাছ যে বিচরণশীল তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। বাংলাদেশে ২৬০ প্রজাতির স্বাদুপানির (মোহনা জলসহ) এবং ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও ১২-এর অধিক প্রজাতির চাষকৃত বিদেশী মাছ চাষের জলাশয়ে এবং ৭০-এর অধিক জাতের বিদেশী বাহারী মাছ এ্যাকুয়ারিয়ামে পাওয়া যায়। মৎস্য অধিদপ্তরের (২০০৯) তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে মাছের মোট উৎপাদন ২৫ লক্ষ ৬৩ হাজার ২৯৬ মেট্রিক টন। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় (আহরিত) থেকে আসে ১০,৬০,১৮১ মেট্রিক টন, অভ্যন্তরীণ বদ্ধ জলাশয় (চাষকৃত) থেকে আসে ১০,০৫,৫৪২ মেট্রিক টন এবং সমুদ্র থেকে আসে ৪,৯৭,৫৭৩ মেট্রিক টন।
সাগরের মাছগুলোর মধ্যে রয়েছে লাক্ষা, কই কোরাল, দাতিনা কোরাল, রেড স্লাপার, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ যেমন, ভেটকি, সুরমা মাছ, কাটল ফিশ, দেশি স্কুইড, রুপচাঁদা, ম্যাকারে, শ্রিম্প, টুনা, স্যামন, ম্যাকরেল, সারডিন, স্কুইড, লবস্টার, কোরাল, টুনা কড ইত্যাদি। এসব মাছ আমিষের প্রধান উৎস। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছে প্রচুর ফ্যাটি এসিড আছে। এই ফ্যাটি এসিড মস্তিষ্ক, চোখ ও স্নায়ুতন্ত্র গঠনে ভূমিকা রাখে।