মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
১০. কিতাবুল আযান
مختصر صحيح البخاري
১০/১ পরিচ্ছেদঃ
আযানের সূচনা
৩৭০
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا كَانَ يَقُولُ : كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ ، يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحَيَّنُونَ الصَّلَاةَ، لَيْسَ يُنَادَى لَهَا ، فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ، فَقَالَ بَعْضُهُمُ : اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: بَلْ بُوقًا مِثْلَ قَرْنِ الْيَهُودِ، فَقَالَ عُمَرُ : أَوَلَاَ تَبْعَثُونَ رَجُلًا يُنَادِي بِالصَّلَاةِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ (ﷺ): (يَا بِلالُ، قُمْ فَنَادِ بِالصَّلاةِ).
আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ মুসলিমগণ মদীনায় আগমণ করার পর অনুমান করে সময় নির্ধারণ করে মসজিদে একত্রিত হতেন। সে সময় নামাযের জন্য ডাকার ব্যবস্থা ছিলনা। এ ব্যাপারে তাঁরা একদিন কথা-বার্তা বললেন। কেউ বললেনঃ নাসারাদের মত একটি ঘন্টা বানিয়ে নাও। আবার কোন কোন সাহাবী মন্তব্য করলেনঃ বরং ইহুদীদের মত একটি সিঙ্গা বানানো হোক। পরিশেষে উমার (রাঃ) বললেনঃ তোমরা কি নামাযের দিকে মানুষকে আহবান করার জন্য একজন লোক পাঠাতে পার না? তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ হে বেলাল! তুমি উঠ এবং মানুষকে নামাযের জন্য ডাকো৷ (আলোকিত প্রকাশনীঃ ৩৬৫)
১০/২ পরিচ্ছেদঃ
আযানের শব্দগুলো দু’বার দু’বার বলবে
৩৭১
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: أُمِرَ بِلال أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ، وَأَنْ يُوتِرَ الإِقَامَةَ، إِلاَّ الإِقَامَةَ.
আনাস বিন মালেক (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ বেলাল (রাঃ) কে জোড়া জোড়া শব্দে আযান এবং বেজোড় শব্দে ইকামত দিতে আদেশ করা হয়েছে। কিন্তু কানকামাতিস্ সালাহ শব্দটি দুইবার বলার আদেশ দেয়া হয়েছে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ৩৬৬)
১০/৩ পরিচ্ছেদঃ
আযান দেয়ার ফজীলত
৩৭২
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ (ﷺ) قَالَ: (إِذَا نُودِيَ لِلصَّلاةِ، أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ وَلَهُ ضُرَاطٌ ، حَتَّى لَا يَسْمَعَ التَّأْذِينَ، فَإِذَا قُضِيَ النِّدَاءُ أَقْبَلَ، حَتَّى إِذَا ثُوبَ بِالصَّلَاةِ أَدْبَرَ، حَتَّى إِذَا قُضِيَ التَّنْوِيبُ أَقْبَلَ، حَتَّى يَحْطِرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ، يَقُولُ : أَذْكُرْ كَذَا ، اذْكُرْ كَذَا، لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ، حَتَّى يَظَلَّ الرَّجُلُ لاَ يَدْرِي كَمْ صَلَّى) .
আবু হুরায়রা (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ) বলেনঃ যখন নামাযের আযান দেয়া হয় তখন শয়তান পশ্চাৎ বায়ু ছাড়তে ছাড়তে এত দূরে চলে যায় যেখান থেকে সে আযানের শব্দ শুনতে পায়না। আযান শেষ হলে সে আবার ফেরত আসে। আবার যখন নামাযের ইকামত দেয়া হয় তখনও সে দূরে চলে যায়। ইকামত শেষ হলে আবার এসে নামাযীর অন্তরে ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে। সে নামাযীকে বলেঃ এটি স্মরণ কর, ঐটি স্মরণ কর। অথচ এ কথাগুলো ইতিপূর্বে তার স্মরণ ছিলনা। এক পর্যায়ে নামাযীর অবস্থা এমন হয়ে যায় যে, সে কত রাকআত নামায আদায় করেছে তা ভুলে যায়। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ৩৬৭)
১০/৪ পরিচ্ছেদঃ
উঁচু আওয়াযে আযান দেয়া
৩৭৩
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ (ﷺ) يَقُولُ : (إِنَّهُ لَا يَسْمْعُ مَدَى صَوْتِ المُؤَذِّنِ، جِن وَلاَ إِنْسٌ وَلَا شَيْءٌ، إلا شَهِدَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ) .
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, মুজামিনের আযানের ধ্বনি মানুষ, জিন বা অন্য যে কোন বস্তুই শুনবে সবাই কিয়ামত দিবলে তার জন্য সাক্ষ্য দিবে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ৩৬৮)