মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
৫৮. কিতাবুত্ তাফসীর
مختصر صحيح البخاري
৫৮/১ পরিচ্ছেদঃ
সূরা ফাতিহার তাফসীর
১৭১২
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ المُعَلَّى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: كُنْتُ أُصَلِّي فِي المَسْجِدِ، فَدَعَانِي رَسُولُ اللَّهِ (ﷺ) فَلَمْ فَقُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي كُنْتُ أَصَلِّي، فَقَالَ: (أَلَمْ يَقُلِ اللَّهُ : اسْتَجِيبُوا اللَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ ؟). ثُمَّ قَالَ لِي: الأُعَلَّمَنَّكَ سُورَةٌ هِيَ أَعْظَمُ السُّورِ فِي الْقُرْآنِ، قَبْلَ أَنْ تَخْرُجَ مِنَ المَسْجِدِ). ثُمَّ أَخَذَ بِيَدِي، فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ ، قُلْتُ لَهُ : أَلَمْ تَقُلْ : الأُعَلِّمَنَّكَ سُورَةٌ هِيَ أَعْظَمُ سُورَةٍ فِي الْقُرْآنِ؟ قَالَ: ((الحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ) : هي السَّبْعُ المَثَانِي، وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ الَّذِي أُوتِيتُهُ) . سُورَة البَقَرَة
আবু সাঈদ বিন মুআল্লাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি একদা মসজিদে সালাত আদায় করছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তখন আমাকে ডাকলেন। কিন্তু আমি তাঁর ডাকের কোন জাবাব দিলামনা। নামায শেষে আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল। আমি তখন সালাতরত ছিলাম। তিনি বললেনঃ “আল্লাহ কি একথা বলেন নি
ٱسْتَجِيبُوا۟ لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ
তোমরা আল্লাহ্ এবং রাসূল এর ডাকে সাড়া দাড়াও। যখন আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল তোমাদেরকে এমন বস্তুর দিকে আহ্বান করেন যা তোমাদেরকে নব জীবণ দান করবে? (সূরা আনফালঃ ২৪)
অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বে কুরআনের এমন একটি সূরা শিক্ষা দিবো, যা গুরুত্বের দিক দিয়ে সবচেয়ে বড়। অতঃপর তিনি আমার হাত ধরলেন। তিনি যখন মসজিদ থেকে বের হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তাঁকে বললামঃ আপনি কি বলেন নি আমি তোমাকে এমন একটি সূরা শিক্ষা দিবো, যা মর্যাদার দিক দিয়ে সবচেয়ে বড়? তিনি বলেনঃ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ তথা সূরা ফাতিহা। ইহা হল আস্ সাবউল্ মাছানী (সাতটি আয়াত, যা বার বার পড়া হয়) এবং কুরআনুল আযীম (মহা কুরআন), যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৬৬৯)
ٱسْتَجِيبُوا۟ لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ
তোমরা আল্লাহ্ এবং রাসূল এর ডাকে সাড়া দাড়াও। যখন আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল তোমাদেরকে এমন বস্তুর দিকে আহ্বান করেন যা তোমাদেরকে নব জীবণ দান করবে? (সূরা আনফালঃ ২৪)
অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বে কুরআনের এমন একটি সূরা শিক্ষা দিবো, যা গুরুত্বের দিক দিয়ে সবচেয়ে বড়। অতঃপর তিনি আমার হাত ধরলেন। তিনি যখন মসজিদ থেকে বের হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তাঁকে বললামঃ আপনি কি বলেন নি আমি তোমাকে এমন একটি সূরা শিক্ষা দিবো, যা মর্যাদার দিক দিয়ে সবচেয়ে বড়? তিনি বলেনঃ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ তথা সূরা ফাতিহা। ইহা হল আস্ সাবউল্ মাছানী (সাতটি আয়াত, যা বার বার পড়া হয়) এবং কুরআনুল আযীম (মহা কুরআন), যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৬৬৯)
৫৮/২ পরিচ্ছেদঃ
সূরা বাকারার তাফসীর
আল্লাহর বাণীঃ তোমরা জেনে শুনে অন্য কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ গণ্য করোনা
১৭১৩
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قالَ : سَأَلْتُ النَّبِيِّ (ﷺ) : أَيُّ الذَّنْبِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ؟ قَالَ: (أَنْ تَجْعَلَ اللَّهِ نِدا وَهُوَ خَلَقَكَ). قُلْتُ: إِنَّ ذلِكَ لَعَظِيمٌ، قُلْتُ : ثُمَّ أَيُّ؟ قالَ: (وَأَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ تَخَافُ أَنْ يَطْعَمَ مَعَكَ). قُلْتُ : ثُمَّ أَيِّ؟ قالَ : أَنْ تُزَانِيَ حَلِيلَةَ جَارِكَ) .
আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলামঃ “আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ্ কোটি? উত্তরে তিনি বললেনঃ আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললামঃ নিশ্চয়ই এটি একটি বড় অপরাধ। আমি আবার জিজ্ঞেস করলামঃ তারপর কোটি? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সন্তানকে এই ভয়ে হত্যা করবে যে, সে তোমার সাথে খাবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলামঃ অতঃপর কোটি? তিনি বললেনঃ প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে যেনায় লিপ্ত হওয়া”। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৬৭০)
৫৮/৩ পরিচ্ছেদঃ
সূরা বাকারার তাফসীর
আল্লাহর বাণীঃ আর আমি তোমাদের উপর ছায়া দান করেছি মেঘমালা দ্বারা এবং তোমাদের জন্য খাবার পাঠিয়েছি ‘মান্না' ও ‘সালওয়া’
১৭১৪
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ الله عَنْهُ قالَ: قالَ رَسُولُ اللَّهِ (ﷺ): (الْكَمْأَةُ مِنَ المَنِّ، وَمَاؤُهَا شِفَاءُ لِلْعَيْنِ).
সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেনঃ ছত্রাক (ব্যাঙের ছাতা) মান্না-এর অন্তর্ভূক্ত। আর তার পানি চোখের জন্য শিফা। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৬৭১)
৫৮/৪ পরিচ্ছেদঃ
সূরা বাকারার তাফসীর
আল্লাহর বাণীঃ সে সময়ের কথা স্মরণ করো, যখন আমি বললামঃ তোমরা এ গ্রামে প্রবেশ করো
১৭১৫
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ (ﷺ) قال: (قبل لِبَنِي إِسْرَائِيلَ : ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُولُوا حِطَّةٌ. فَدَخَلُوا يَرْحَفُونَ عَلَى أَسْتَاهِهِمْ، فَبَدَّلُوا، وَقَالُوا : حِنْطَةٌ، حَبَّةٌ في شَعَرَةٍ).
আবু হুরায়রা (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ বনী ইসরাঈলকে বলা হয়েছিলঃ দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সময় সিজদাবনত হয়ে প্রবেশ কর এবং বলো হিত্তাতুন (ক্ষমা করে দিন)। কিন্তু তারা নিতম্বে ভর করে হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে প্রবেশ করলো এবং হিত্তাতুন (ক্ষমা করে দিন) কথাটি পরিবর্তন করে বলতে লাগলঃ গমের শিষে দানা দাও৷ (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৬৭২)