hadith book logo

মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী

৬৪. কিতাবুল আকীকাহ্

مختصر صحيح البخاري

৬৪/১ পরিচ্ছেদঃ

নবজাতকের নাম রাখা

১৯১১
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
عَنْ أَبِي مُوسَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قالَ : وُلِدَ لِي غُلامٌ، فَأَتَيْتُ بِهِ النَّبِيَّ (ﷺ) فَسَمَّاهُ إِبْرَاهِيمَ، فَحَنَّكَهُ بِتَمْرَةٍ، وَدَعَا لَهُ بِالْبَرَكَةِ، وَدَفَعَهُ إِلَيَّ .
আবু মুসা আশআরী (রা)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করল। আমি তাকে নিয়ে নবী রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গেলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহীম এবং একটি খেজুর চিবিয়ে শিশুর তালুতে রাখলেন। অতঃপর তার জন্য বরকতের জিকির">দু'আ করলেন এরপর তাকে আমার নিকট ফেরত দিলেন। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৮৬১)
১৯১২
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
حَدِيثُ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا : أَنَّهَا وَلَدَتْ عَبْدَ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، تَقَدَّم فِي حَدِيْثِ الهِجْرَة وَزَادَ هنا : فَفَرِحُوا بِهِ فَرَحًا شَدِيدًا، لأَنَّهُمْ قِيلَ لَهُمْ: إِنَّ الْيَهُودَ قَدْ سَحَرَتْكُمْ فَلَا يُولَدُ لَكُمْ .
আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ্ বিন যুবাইরকে প্রসব করলেন। এই হাদীছটি ইতি পূর্বে হিজরতের হাদীছে বর্ণিত হয়েছে। এখানে কেবল এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, তারা তাঁর জন্মে অতিশয় আনন্দিত হয়েছিলেন। কেননা তাদেরকে বলা হয়েছিল যে, ইহুদীরা তোমাদেরকে যাদু করেছে। সুতরাং তোমাদের কোন সন্তান হবেনা। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৮৬২)
৬৪/২ পরিচ্ছেদঃ

আকীকার সময় নবজাতকের মাথা কামানো

১৯১৩
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ الضَّيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ يَقُولُ: (مَعَ الْغُلَامِ عَقِيقَةٌ، فَأَهْرِيقُوا عَنْهُ دَمًا ، وَأَمِيطُوا عَنْهُ الأذى).
সালমান বিন আমের যাব্বী (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, শিশুর জন্মের পর আকীকা করা আবশ্যক। সুতরাং তার তরফ থেকে তোমরা রক্ত প্রবাহিত কর (পশু যবেহ কর) এবং তার থেকে কষ্ট দূর কর (মাথা কামাও)৷ (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৮৬৩)
৬৪/৩ পরিচ্ছেদঃ

ফারার বর্ণনা

১৯১৪
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ الله عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ (ﷺ) قال: (لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرةَ). وَالْفَرَعُ : أَوَّلُ النتاج، كانُوا يَذْبَحُونَهُ لِطَوَاغِيتِهِمْ، وَالْعَتِيرَةُ فِي رَجَبٍ .
আবু হুরায়রা (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ ইসলামে ফারা ও আতীরা বলতে কিছু নেই। ফারা হল উটনীর প্রথম বাচ্চা, যাকে মুশরিকরা তাদের মূর্তির (দেবদেবীর) নামে বলি দিত। রজব মাসে তারা যে, কুরবানী করত, তাকে বলা হত আতীরা। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৮৬৪)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
টিকাঃ পশু যবেহ দেয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ এবাদত। তাই ছাওয়াবের নিয়তে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এবং সুন্নাতী তরীকায় যবেহ দিলেই বৈধ হবে, অন্যথায় নয়। বর্তমান মুসলিম সমাজের কোন কোন স্থানে প্রচলিত উরস, খানকা ও মাজারের নামে ও কবীরাজদের কথায় আদৌ তা করা যাবেনা। এ সব কাজ দেবতার নামে উৎসর্গের নামান্তর, যা শির্কের অন্তর্ভূক্ত।