মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
৬৬. কিতাবুল আযাহী (কুরবানীর বর্ণনা)
مختصر صحيح البخاري
৬৬/১ পরিচ্ছেদঃ
কোরবানীর গোশত কি পরিমাণ খাওয়া যাবে এবং কি পরিমাণ রেখে দেয়া যাবে?
১৯২৮
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قالَ: قالَ النَّبِيُّ (ﷺ): (مَنْ ضَحَى مِنْكُمْ فَلَا يُصْبِحَنَّ بَعْدَ ثَالِثَةٍ وَفِي بَيْتِهِ مِنْهُ شَيْءٌ). فَلَمَّا كَانَ الْعَامُ المُقْبِلُ، قالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ، نَفْعَلُ كما فَعَلْنَا عامَ المَاضِي؟ قالَ : (كُلُوا وَأَطْعِمُوا وَادَّخِرُوا ، فَإِنَّ ذُلِكَ الْعَامَ كَانَ بِالنَّاسِ جَهْدٌ، فَأَرَدْتُ أَنْ تُعِينُوا فِيهَا) .
সালামা বিন আওয়া (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোরবানী করে, তার ঘরে যেন তৃতীয় দিনের পরে কোরবানীর গোশতের কিছু অংশ অবশিষ্ট না থাকে। পরের বছর লোকেরা বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! গত বছর যেরূপ করেছিলাম এ বছরও কি অনুরূপ করব? তিনি বললেনঃ তোমরা খাও, অন্যকে খেতে দাও এবং জমা করে রাখো। যেহেতু ঐ বছর দুর্ভিক্ষ ছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম এই অবস্থায় তোমরা তাদের সাহায্য কর। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৮৭৭)
১৯২৯
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারীعَنِ عُمَرَ بْنِ الخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، أَنَّهُ صَلَّى العِيدَ يَوْمَ الْأَضْحَى قَبْلَ الخُطبَةِ، ثُمَّ خَطَبَ فَقَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ (ﷺ) قَدْ نَهَاكُمْ عَنْ صِيَامٍ هُدَيْنِ الْيَوْمَيْنِ، أَمَّا أَحَدُهُما فَيَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ، وَأَمَّا الْآخَرُ فَيَوْمٌ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْ .
উমার বিন খাত্তাবথেকে বর্ণিতঃ
তিনি ঈদুল আযহার দিন খুৎবার পূর্বে নামায পড়েছেন৷ অতঃপর তিনি খুত্বা দিয়েছেন। তিনি খুৎবায় মানুষকে লক্ষ্য করে বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুই ঈদের দিন তোমাদেরকে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। এই দুই দিনের একদিন হচ্ছে রামাযানের রোযা শেষে ঈদ পালন করার দিন। আরেক দিন হচ্ছে তোমাদের কোরবানীর গোশত খাওয়ার দিন। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ১৮৭৮)