hadith book logo

মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী

৭২. কিতাবুল ইস্তিযান (অনুমতি প্রার্থনা)

مختصر صحيح البخاري

৭২/১ পরিচ্ছেদঃ

অল্প সংখ্যক লোক অধিক সংখ্যক লোককে সালাম দিবে

২০৫৭
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، عَنِ النَّبِيِّ (ﷺ) قالَ : (يُسَلِّمُ الصَّغِيرُ عَلَى الْكَبِيرِ وَالمَارُّ عَلَى الْقَاعِدِ، وَالْقَلِيلُ عَلَى الْكَثِيرِ).
আবু হুরায়রা (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ ছোট বড়কে সালাম দিবে, পথচারী উপবিশষ্ট লোককে সালাম দিবে এবং কম সংখ্যক লোক বেশী সংখ্যক লোককে সালাম দিবে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ২০০৪)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
টিকাঃ এটিই হচ্ছে ইসলামী পদ্ধতি, যা থেকে বর্তমান ইসলামী সমাজ বহু দূরে অবস্থান করছে। কোথাও সালাম অবিদ্যমান। আবার কোথাও তা বিদ্যমান কিন্তু তার ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত। আগন্তুক ব্যক্তি উপবিষ্ট ব্যক্তিদের সালাম দেয়ার কথা যেখানে হাদীছ দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে, সেখানে বর্তমান সমাজে শিক্ষক বা গুরুজনের দোহাই দিয়ে সালাম দেয়া তো দূরের কথা; বরং সালাম পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকেন। না পেলে রাগ ঝাড়েন। এমন কি কোথাও আবার ছাত্র ও ভক্তদেরকে দাঁড়িয়ে সালাম করতে হয়। আল্লাহই হেদায়াতের মালিক।
৭২/২ পরিচ্ছেদঃ

চলমান ব্যক্তি উপবিশষ্ট ব্যক্তিকে সালাম দিবে

২০৫৮
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
وَعَنْهُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فِي رِوَايَةٍ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ (ﷺ) : يُسَلِّمُ الرَّاكِبُ عَلَى المَاشِي، وَالمَاشِي عَلَى الْقَاعِدِ، وَالْقَلِيلُ عَلَى الْكَثِير).
আবু হুরায়রা (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আরোহী পদচারীকে সালাম দিবে, পদচারী উপবিষ্ট ব্যক্তিকে সালাম দিবে এবং কম সংখ্যক বেশী সংখ্যককে সালাম দিবে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ২০০৪)
৭২/৩ পরিচ্ছেদঃ

পরিচিত এবং অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে

২০৫৯
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا : أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ (ﷺ) : أَيُّ الإِسْلامِ خَيْرٌ؟ قالَ: (تُطْعِمُ الطَّعَامَ، وَتَقْرَأُ السَّلاَمَ، عَلَى مَنْ عرَفْتَ، وَعَلَى مَنْ لَمْ تَعْرِفْ).
আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমরথেকে বর্ণিতঃ
জনৈক ব্যক্তি নবী (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলঃ ইসলামের কোন কাজটি সর্বাধিক উত্তম? তিনি বলেনঃ তুমি (ক্ষুধার্তকে) খানা খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত ও অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ২০০৫)
৭২/৪ পরিচ্ছেদঃ

(গ্রহবাসীর উপর অপছন্দনীয় অবস্থায়) দৃষ্টি পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলেই অনুমতি চাওয়ার ব্যবস্থা

২০৬০
মুখতাসার সহীহ আল-বুখারী
সহিহ হাদিস
عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قالَ: أَطْلَعَ رَجُلٌ مِنْ جُحْرٍ في حُجَرِ النَّبِيِّ (ﷺ) ، وَمَعَ النَّبِيِّ (ﷺ) مِدْرَى يَحُلُّ بِهِ رَأْسَهُ، فَقَالَ: (لَوْ أَعْلَمُ أَنَّكَ تَنْظُرُ، لَطَعَنْتُ بِهِ في عَيْنِكَ، إِنَّمَا جُعِلَ الاِسْتِثْذَانُ مِنْ أَجْلِ الْبَصَرِ ) .
সাহল বিন সা'দ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কোন একটি হুজরাতের ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিন। এ সময় নবী (ﷺ)-এর হাতে একটি লোহার কাঠি ছিল। তা দিয়ে তিনি মাথার চুল ভাজ করছিলেন। তিনি বললেনঃ যদি আমি জানতাম যে, তুমি তাকাচ্ছো, তাহলে এ কাঠি দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম। কেননা (গৃহবাসীর উপর অপছন্দনীয় অবস্থায়) দৃষ্টি পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে বলেই অনুমতি চাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। (আলোকিত প্রকাশনীঃ ২০০৬)